অক্সিজেনকথন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ৩০/০৪/২০২১ - ৩:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একবার বুক ভরে নিঃশ্বাস নিন তো, ফুসফুস ফুলে উঠবে টানটান করে, তারপর ছেড়ে দিন ধীরে ধীরে, মাত্র ৫ সেকেন্ডের ব্যাপার। কী শান্তি না? প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে এত অসংখ্যবার আমরা কাজটা করি যে আলাদা করে খেয়ালই হয় না। খেয়াল করার দরকারই বা কী! আমাদের শরীর বাতাস থেকে বেছে বেছে সেই জিনিসটাই নেয় যেটা এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এই গ্রহটাই কেমন জানি। বাকি মহাবিশ্বের পুরোটায় যেখানে হাইড্রোজেন আর হিলিয়াম নামের জিনিসের ছড়াছড়ি সেখানে এই ছোট্ট গ্রহটায় কীভাবে জানি এ দুটোকে পাশ কাটিয়ে রাজা হয়ে বসেছে অন্য আরেকটি বস্তু, অক্সিজেন। আর এই রাজা হওয়াতেই তার মেজাজ মনে হয় খুব গরম, যাকে পায় পারলে তাকেই পুড়িয়ে ফেলে, অক্সিডাইজ করে ফেলে! লোহার মতো শক্তপোক্ত জিনিসকে সে গুঁড়ো করে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেয়! আমরা ভালোমানুষের মতো প্রতিনিয়ত তাকে টেনে নিচ্ছি জীবন টিকিয়ে রাখার জন্য অথচ সে যে এমন প্রতিক্রিয়াশীল, তা কি আর মনে থাকে!

অবশ্য তাকে না নিয়েই বা উপায় কী! একটু কম পড়লেই তো খাওয়া দাওয়া বন্ধ। না, আপনার আমার চিবিয়ে বা গিলে খাওয়ার কথা বলছি না। কিন্তু শরীরের ভেতর যে বিলিয়ন বিলিয়ন কোষ হাঁ করে বসে আছে! একটু গ্লুকোজের সাথে মনের সুখে অক্সিজেন মিশিয়ে খাবে আর হালকা ঢেঁকুর তুলে ছেড়ে দেবে একটু জল আর কার্বন ডাই অক্সাইড (এখানেও অক্সিজেন!)। কোষগুলো এমন খেয়েদেয়ে বেঁচেবর্তে আছে বলেই আমরা দিব্যি ঘুরেফিরে বেড়াচ্ছি, মৌজ মাস্তি করছি। তবে হ্যাঁ, আগেই বলেছি অক্সিজেনের মেজাজ মর্জি বেশ খারাপ, মাথা গরম থাকে! শরীরের ভেতরে অক্সিডাইজেশন চালাতে চালাতে প্রায়ই দু একটা ইলেকট্রন দলছুট হয়ে যায়।

ও আচ্ছা, অক্সিজেন জিনিসটা কী সেটাই তো বলা হয়নি! আর কিছুই না, ৮ টা নিউট্রন, ৮ টা প্রোটোনকে ঘিরে নাচতে থাকা ৮টা ইলেকট্রন। ইলেকট্রন আবার বেশ মজার জিনিস, সে আমাদের সবসময় ধোঁকার উপর রাখে। তার পজিশন জানালে ভরবেগ লুকিয়ে রাখে আবার ভরবেগ জানালে পজিশনই খুঁজে পাওয়া যায় না! তো শরীরের ভেতর অক্সিজেনের এই ইলেকট্রনগুলো আবার প্রেমে গদগদ হয়ে থাকে প্রায়ই, অন্য কারও ইলেকট্রনের কাছাকাছি হলে আর মনমেজাজ ভাল থাকলে, এরা জায়গা ভাগাভাগি করে নেয় পার্টনারের সাথে। তখন বেশ একটা সুখী সুখী পরিবার তৈরী হয়। তবে কিছু ইলেকট্রন আবার প্রেমে ছ্যাঁকা ফ্যাকা খেয়ে পার্টনার খুঁজে না পেয়ে গরম হয়ে যায়। আউলা ঝাউলা মাথায় এরা ছুটে বেড়ায় এদিক সেদিক, পারলে কিছু ভাঙচুরও চালায়। অন্যের সুখী সংসারে আগুন দিতে এরা ওস্তাদ। পারলে সেখান থেকে একটা ইলেকট্রন ভাগিয়ে নিয়ে আসে। তখন সেই পরিবারের ইলেকট্রন আবার একা হয়ে পাগল হয়ে আগুন ধরায় আরেক পরিবারে। এভাবে চেইন রি-অ্যাকশন চলতে থাকে, আর ওদিকে তছনছ হয়ে যায় কতশত সুখী পরিবার! এই ঝামেলার মধ্যে পড়ে সর্বনাশ হতে থাকে আমাদের কোষের ভিতরের কলকব্জার। অশান্তির ঠেলায় ঠিকঠাক কাজে মন দিতে পারে না, ভুলভাল ইনস্ট্রাকশন যায় মেশিনে আর বের হতে থাকে উলটা পালটা প্রোডাক্ট। এই উলটা পালটা প্রোডাক্ট দিয়ে আমাদের শরীর করবেটা কী? এগুলো তো যা করার কথা সেগুলো না করে এমন কিছু করে যাতে ভাল কোষগুলোও একসময় অশান্তিতে পড়ে যায়। তাই শরীরের চিন্তা থাকে এই ফালতু প্রোডাক্টগুলো কীভাবে ধ্বংস করা যায়! তা পারেও মোটামুটি প্রথম প্রথম অনেকদিন, কিন্তু বয়সের সাথে সাথে আর পেরে ওঠে না, ওদিকে দলছুট অক্সিজেন ইলেকট্রনের কাজকর্ম তো আর থেমে থাকে না, তাই এই যুদ্ধে একসময় হেরে যেতে যেতে আমরা পুরোপুরি হেরেই যাই। ফলাফল বার্ধক্য, ফলাফল মৃত্যু!

শুধু বার্ধক্য না, অক্সিজেনের আউলা ঝাউলা ইলেকট্রনের অশান্তিতে কোষ যখন ভুলভাল কাজ করতে থাকে তখন ডিএনএর কপি তৈরিতে ভুল হয়ে যায়, সিকোয়েন্স একটু ওলটপালট হলেই কাজে বিশাল গড়মিল শুরু হয়ে যায়। তখন হয় মিউটেশন, তৈরি হয় ক্যান্সার কোষ, ব্রেইনের সেল নষ্ট হয়ে আলঝেইমার থেকে শুরু করে আরও নানা জটিলতায় মানুষ তখন প্রায় শেষ। সবই মাথাগরম অক্সিজেনের তাণ্ডবলীলা। ইদানীং তাকে শান্ত করার নানা উপায়ের কথা শোনা যায়, যেমন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এগুলোর কাজ হল, দলছুট পাগল ইলেকট্রনকে আরেকটা ইলেকট্রন পার্টনার পাইয়ে দিয়ে মাথা ঠাণ্ডা করা। অনেকটা পাগলের ওষুধ বিয়ে টাইপ ব্যাপারস্যাপার!

তবে অক্সিজেন এর থেকে শান্ত হলে আমাদের জন্য হয়ত টিকে থাকা মুশকিল হত। কারণ শরীরের বিলিয়ন বিলিয়ন কোষের খাবার জোগানোর জন্য আমাদের এমন কিছুই দরকার ছিল যা সহজে রান্না করে দেবে আর জোগান দেবে কোষ চালানোর শক্তি। এই মুহূর্তে কোটি কোটি লোহিত রক্তকণিকা ফুসফুস থেকে পাওয়া অক্সিজেনকে পৌঁছে দিচ্ছে প্রতি কোষে কোষে। আমরা যেটুকু অক্সিজেন টেনে নিই বাতাস থেকে তার মাত্র চার শতাংশ কাজে লাগিয়ে আবার ফিরিয়ে দিই বাতাসে। ওটুকুতেই কাজ হয়ে যায়। কিন্তু যখন ফুসফুস আর অক্সিজেনকে ধরতে পারে না, তখন আসলে পুরো শরীরের প্রতিটা কোষেই খাওয়া দাওয়া বন্ধ হয়ে যায়, প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে সেগুলো মরতে শুরু করে একে একে, তাই অক্সিজেন ছাড়া এক মুহূর্তও আমাদের পক্ষে বাঁচা সম্ভব না। মহাবিশ্বের যেখানেই যাই, এই একটা জিনিসের পর্যাপ্ত যোগানের ব্যবস্থা না করে আমাদের এক পা বাড়ানোরও উপায় নেই।

নানাভাবে শরীরের অক্সিজেন সাপ্লাই ব্যাহত হতে পারে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা কম হলে, বাতাসে অক্সিজেন কম থাকলে, কিংবা ফুসফুস যদি আর যতটুকু দরকার ততটুকু অক্সিজেন ধরতে না পারে। এখন করোনায় যেটা হচ্ছে, ফুসফুসের কোষ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, শরীর আর বাতাস থেকে অক্সিজেন ছেঁকে নিতে পারছে না।

তাহলে কী করা যায়? শরীর যদি বাতাস থেকে তার প্রয়োজনীয় অক্সিজেন টেনে নিতে পারে, তাহলে তার মৃত্যু অবধারিত। বাতাসে অক্সিজেন আছে মাত্র ২১ ভাগ, বাকিটা প্রায় সব নাইট্রোজেন। স্বাভাবিক অবস্থায় মানুষ সেই ২১ ভাগ অক্সিজেন থেকেই তার প্রয়োজনীয়টুকু ছেঁকে নিতে পারে। কিন্তু যখন ফুসফুস সেটা আর পারছে না, তখন তাকে প্রায় ৯৯ ভাগ বিশুদ্ধ অক্সিজেন দিতে হবে যেটাকে আমরা বলি মেডিক্যাল অক্সিজেন।

এখন এই অক্সিজেন কীভাবে পাওয়া যায়? আগেই বলেছি অক্সিজেন হচ্ছে এই গ্রহের সবচেয়ে সহজলভ্য বস্তু। বিশ্বাস হয় না? এই যে বিশাল বিশাল সমুদ্রে এত জল, তার দুই ভাগ হাইড্রোজেন আর এক ভাগ অক্সিজেন। কিন্তু সমুদ্রই তো সব না। সমুদ্রেরও তলা আছে, সেখানে থেকে শুরু করে পৃথিবীর বাইরের ভাগ যেটাকে ক্রাস্ট বলে, সেটার প্রায় পুরোটাই অক্সিজেনের বিভিন্ন অক্সাইড দিয়ে তৈরি। মাটি, বালি, এসিড, জৈব যৌগ, কোথায় নেই এই অক্সিজেন? এই যে জ্যোতিষী বাবারা বিভিন্ন রত্ন পাথর দিয়ে গ্রহ নক্ষত্র পালটে দিচ্ছেন (!) সেগুলোও কিন্তু রঙচঙে অক্সাইড ছাড়া কিছু নয়। ছোটবেলায় আমরা মনে হয় সবাই পড়েছি, যে লবন জলের মধ্যে কার্বনের কাঠি পুঁতে তাতে বিদ্যুৎ সাপ্লাই দিলেই জলের হাইড্রোজেন আর অক্সিজেন ভেঙে গিয়ে কার্বনের দুই কাঠির মাথা দিয়ে বের হতে থাকে! তাহলে? জলের তো অভাব নেই, জলের মধ্যে কারেন্টের লাইন দিয়ে দিলেই অক্সিজেন পাওয়া যাবে? ভুলেও না! জল আর বিদ্যুৎ খুব একটা বন্ধু না, একটু এদিক সেদিক হলেই কপালে ভীষণ দুঃখ। বইয়ে আমরা ডিসি কারেন্ট দিয়েছি যেটা বেশ সহজ সরল, আমরা বাসার কারেন্টের লাইনে যেটা পাই সেটা এসি, সেটা এদিক সেদিক নাচতে থাকে সবসময়, মোটেই সোজাসাপ্টা না। আর এভাবে ডিসি কারেন্ট দিয়ে জল থেকে অক্সিজেন বানিয়ে সেটা ব্যবহারযোগ্য করতে যে পরিমাণ খরচ আর ঝামেলা তার থেকে সহজ উপায় হাতের কাছেই আছে!

কোথায়, কোথায়? জ্বি, নাকের কাছে! মানে বাতাসে! মুখ চুপসানোর কিছু নেই, যদিও বাতাসের ৭৮ ভাগই নাইট্রোজেন আর মাত্র ২১ ভাগ অক্সিজেন, সেই একুশ ভাগই যথেষ্ট কারণ বাতাসের যোগান প্রায় অফুরন্ত। আমাদের শুধু তাকে ঠাণ্ডা করতে হবে! তা কতটুকু ঠাণ্ডা? তা ধরুন গিয়ে প্রায় মাইনাস ২০০ ডিগ্রী! এত ঠাণ্ডার কথা শুনে মাথা গরম হচ্ছে কি? কিন্তু বিশ্বাস করুন, এর থেকে সহজ আর কম খরচের উপায় এখনও মানুষের জানা নেই। বাতাসকে ভীষণ চাপে প্রথমে গরম ও সংকুচিত করে তাকে আবার চাপমুক্ত করা হয়, একই সাথে তরল নাইট্রোজেনের মধ্য দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তরল নাইট্রোজেন খুবই ঠাণ্ডা স্বভাবের, তার আসেপাশে দিয়ে যেই যায় তাকেই ঠাণ্ডা করে ফেলে। তো বাতাসকে এভাবে ঠাণ্ডা করতে থাকলে আমরা তরল বাতাস পেয়ে যাই। জিনিসটা কেমন তাই না? বলছি বাতাস, কিন্তু জলের মত তরল! সেই তরল বাতাসকে একটু কম ঠাণ্ডা করলেই (গরম করা বলছি না কারণ এখনও আমরা মাইনাসের প্রায় ১৯০ ডিগ্রি নীচে!) প্রথমে নাইট্রোজেন উড়াল দেয় -১৯৬ এর আসেপাশে, তারপর কিছুটা আর্গন গ্যাস উধাও হয়, আর পড়ে থাকে অক্সিজেন। অক্সিজেনও উড়াল দিতে শুরু করে -১৮২ ডিগ্রীর আসেপাশে, তখন তাকে খপ করে ধরা হয়। এরপর আরও কিছু কচলাকচলি করে পরিষ্কার করে প্রায় ৯৯ ভাগ বিশুদ্ধ অক্সিজেন পাওয়া যায়। অক্সিজেন কিন্তু তরল অবস্থায় বেশ সুন্দর নীলচে দেখতে। গ্যাস হয়ে গেলে আর রঙচঙ থাকে না।

তবে পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর ও অপার্থিব একটা জিনিস যেটাকে বলে নর্দান লাইট বা অরোরা, সেটার কারণ কিন্তু অক্সিজেনের উত্তেজিত নাচানাচি! এক বিচিত্র কারণে অক্সিজেন চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় (সে এক আরেক ইতিহাস!)। সূর্যের সৌরঝড়, পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র সব মিলিয়ে অক্সিজেন সবুজ আর লাল আলোর বর্ণালী হয়ে নেচে ওঠে, আর শান্ত নাইট্রোজেন একটু নীলচে বা বেগুনী রঙ নিয়ে দুলতে থাকে।

আমাদের প্রাণবায়ু হওয়ার পাশাপাশি অক্সিজেন আরেক বিশাল রক্ষাকবচ হয়ে আছে পৃথিবীর জন্য। তিনটা অক্সিজেন একসাথে হয়ে তৈরি করে একটা ওজন (Ozone), এমন অসংখ্য ওজনের একটা আবরণ প্রতিমুহূর্তে ঠেকিয়ে দিচ্ছে সূর্যের অতিবেগুনী আলোসহ আরও নানা মহাজাগতিক রশ্মি। এগুলো পৃথিবী পর্যন্ত সরাসরি পৌঁছালে আর দেখা লাগত না, কবে বিলীণ হয়ে যেতাম সব!

যখন আমরা সব একসাথে দেখি, তখন মনে হয় কী চমৎকার একটা ব্যবস্থা, সবকিছু যেন খাপেখাপ মিলে যাওয়া। আমাদের যেমনটা দরকার ঠিক তেমনভাবেই যেন সব তৈরি করা। যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকুই এখানে সেখানে। যেন কেউ একজন সুনিপুণভাবে পরিকল্পনা করে তৈরি করেছেন এই ব্যবস্থা। হ্যাঁ, অনেকের কাছে তিনিই ঈশ্বর। আবার এমনভাবেও দেখা যায় যে আমরা এই ব্যবস্থার ভিতর দিয়ে বহুদূর পথ পাড়ি দিয়ে এই অবস্থায় এসে পৌঁছেছি বলে আমরা ঠিক সেইভাবেই আছি যেভাবে থাকলে এই সিস্টেমে টিকে থাকা সম্ভব হয়। আমরা সেভাবে পরিবর্তিত হয়েছি বলেই এই সিস্টেম আমাদের কাছে স্বাভাবিক লাগে, মনে হয় যেন আমাদের জন্যই সাজানো!

সে যেটাই হোক, যে যেভাবে দেখে আর কী। কিন্তু এটাই সত্য যে, চিন্তা, বিশ্বাস, দর্শনের পার্থক্য প্রকৃতির মৌলিক কিছু নিয়মের কাছে একদমই ভিত্তিহীন হয়ে যায়। তাই অক্সিজেন বুকে টেনে নিয়ে আমি যতটুকু শান্তি পাই, আমার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নমতের হয়েও আপনি সেই একই শান্তি পাবেন প্রকৃতি থেকে। অক্সিজেনের অভাবে আমার মতই ছটফট করতে থাকবে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ। এই মৌলিক জায়গায় এসে সবাই এক হয়ে যায়, সবাই একই প্রকৃতির সন্তান, একটাই গ্রহ পৃথিবীর মানুষ। এই গ্রহের নিয়ম, আমরা মহাবিশ্বের যেখানেই যাই, কখনোই অগ্রাহ্য করতে পারব না।

- সীমান্ত রায়


মন্তব্য

সত্যপীর এর ছবি

দারুণ!!

..................................................................
#Banshibir.

Shimanta Roy এর ছবি

কৃতজ্ঞতা!

-সীমান্ত রায়

ডা. মো. রুমী আলম  এর ছবি

খুবই তথ্যবহুল লেখা। অনেক ধন্যবাদ।

Shimanta Roy এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ। কিছু বিষয় বাদ পড়ে গেছিল, সেগুলো তো আর এখন অ্যাড করার উপায় নেই। যেমন গাছেদের জন্য কী ব্যবস্থা, বা কীভাবে কী করে ওরা। গাছেরাও যে অক্সিজেন নেয় সেটা অনেকেই জানেন না। নিজের মূল লেখায় যুক্ত করে দিয়েছি। ইচ্ছা আছে বিজ্ঞানের খুব মৌলিক কিছু বিষয় নিয়ে সহজবোধ্য করে গল্পোচ্ছলে কিছু লেখার।

-সীমান্ত রায়

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।